চীনের সিনোফার্মের কাছ থেকে কেনা ৩০ লাখ করোনাভাইরাসের টিকা ঢাকায় এসেছে। বাংলাদেশ বিমানের তিনটি পৃথক ফ্লাইটে এই টিকা গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ও আজ শুক্রবার ভোরে ঢাকায় আসে। বাংলাদেশ বিমানের উপমহাব্যবস্থাপক
অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে অক্সফোর্ডের এক ডোজ টিকা গ্রহণকারীদের। শনি ও মঙ্গলবার দেশে আসছে অক্সফোর্ডর ১৩ লাখ টিকা। বাদ পড়া ব্যক্তিরা আগামি সপ্তাহে পাবেন টিকার দ্বিতীয় ডোজ। এদিকে, গতরাতে চীন
আগামী ১১ আগস্টের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর ও এর আওতাধীন সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে করোনার টিকা নেয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরদিন ১২ আগস্টের মধ্যে টিকা নেওয়া সংক্রান্ত তথ্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে পাঠাতে
করোনায় আক্রান্ত রোগীদের অক্সিজেন দেওয়ার জন্য বুয়েটের তৈরি ‘অক্সিজেট’ নামের ডিভাইসটি আপাতত ২০০ ইউনিট উৎপাদনের অনুমোদন দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। গণমাধ্যমকে বুধবার রাতে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মুখপাত্র মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ও
দেশে করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি শুরুর পর থেকে সোমবার (২৬ জুলাই) পর্যন্ত টিকা দেওয়া হয়েছে এক কোটি ২০ লাখ ৮৭ হাজার ৮৭৩ ডোজ। এরমধ্যে এক ডোজ নিয়েছেন ৭৭ লাখ ৭৭ হাজার
গ্রামাঞ্চলের মানুষদের করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা নিশ্চিতে আগস্ট থেকে ক্যাম্পেইনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নির্ধারিত বয়সের কেউ জাতীয় পরিচয় পত্র নিয়ে টিকা কেন্দ্রে আসলেই দেয়া হবে টিকা। করোনারোধী টিকার সার্বিক বিষয় নিয়ে
দেশে করোনা মহামারিকালের সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতি বিরাজ করছে এখন। সংক্রমণের ভয়াবহ এই পরিস্থিতিতে মানুষের চলাচল সীমিত করে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। লকডাউনে সব ধরনের অফিস-আদালত থেকে শুরু করে শিল্প-কলকারখানাও
স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে—তারা কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণে সরকারি অভিযানের অংশ হিসেবে আগামী বছরের মধ্যে বাংলাদেশের ১৭ কোটি জনসংখ্যার ৮০ শতাংশকে টিকা দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করেছে । স্বাস্থ্য সেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজিএইচএস) অধ্যাপক
করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির মুখে সরকার ঢাকার ছয়টি সরকারি হাসাপাতাল কর্তৃপক্ষকে আরও এক হাজার ২০০ কোভিড শয্যা যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে। এ বিষয় গত ১৮ জুলাই স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক দ্য ডেইলি
করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার হচ্ছে। সদ্য সমাপ্ত ২০২০-২১ অর্থবছরে রপ্তানি, রেমিট্যান্স ও রাজস্ব আয়ে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধির পরিসংখ্যান উল্লেখ করে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এ মন্তব্য করেছে।