1. zunaid365@gmail.com : Natore Times :
সংবাদ শিরোনাম :
সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে তারেক রহমানকে দেশে আনতে হবে: দুলু সিংড়ায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বৃক্ষ রোপন ও বিতরন তরুণদের স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ গড়তে বিদেশী বন্ধুদের সহযোগিতা চান ড. ইউনূস জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে আরো সম্পৃক্ততাকে স্বাগত জানিয়েছেন: হোয়াইট হাউস ‘দেশে বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা হলেই আমার সন্তানের আত্মদান সার্থক হবে’- শহিদ মানিকের বাবা লা লিগা: দারুণভাবে ফিরে এসেও মাদ্রিদের সাথে পেরে উঠেনি আলাভেস দশ বছরের জয়খরা কাটিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলার স্বপ্ন বাংলাদেশের ফের নিষ্ক্রিয় জিমেইল অ্যাকাউন্ট বন্ধের সিদ্ধান্ত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাড়ছে সেশনজটের শঙ্কা শত শত অবৈধ ব্লাড ব্যাংকে চলছে মেয়াদোত্তীর্ণ রক্ত বিক্রি

৩৯ মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদমর্যাদা

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২২ মার্চ, ২০২১

স্বাধীন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত প্রথম বিসিএস (১৯৭৩) পরীক্ষার মাধ্যমে প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োগ পাওয়াদের মধ্যে পদোন্নতি বঞ্চিত যুগ্ম সচিব ও উপ-সচিব পদের ৩৯ মুক্তিযোদ্ধাকে প্রাপ্যতা অনুযায়ী ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি এবং সে অনুযায়ী সকল সুযোগ-সুবিধা দিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া পূর্নাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে।

বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি রাজিক-আল-জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চের উভয় বিচারপতি স্বাক্ষরের পর এ রায় প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রিট আবেদনকারীপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার রেজা-ই-রাব্বী খন্দকার। ২০০১ থেকে ২০০৩ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে পদোন্নতি বঞ্চিত হওয়া এই ৩৯ কর্মকর্তার করা পৃথক তিনটি রিট আবেদনে জারি করা রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট গতবছর পহেলা নভেম্বর প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষনা করলেও সম্প্রতি লিখিত পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে।

রায়ে বলা হয়েছে, অবসরে যাওয়া এসব কর্মকর্তা ১৯৯৮ সালে করা ‘উপ-সচিব, যুগ্ম সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি/ নিয়োগের নীতিমালা’ অনুযায়ী পদোন্নতিসহ আনুসাঙ্গিক সুবিধা ও পদমর্যাদা পাবেন। তাদের ক্ষেত্রে ২০০২ সালে করা ‘উপ-সচিব, যুগ্ম সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি/ নিয়োগের বিধিমালা’ প্রযোজ্য বা কার্যকর হবে না।

বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে প্রথম বিসিএস (১৯৭৩) পরীক্ষার মাধ্যমে প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োগ পাওয়াদের পদোন্নতি জন্য ১৯৯৮ সালে একটি নীতিমালা করে সরকার। এরপর ১৯৯৯ সালে সরকার জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে একটি পদোন্নতির তালিকাও করে। পরবর্তীতে তাদের কেউ কেউ পদোন্নতিও পান। ১৯৯৮ সালের নীতিমালার আলোকে পদোন্নতি পেয়ে তাদের কেউ কেউ যুগ্ম সচিব পর্যন্ত হয়েছেন। কিন্তু পদোন্নতির বিষয়ে ২০০২ সালে নতুন মানদণ্ড করে বিধিমালা করে সরকার। এতে ১২ উপ-সচিব এবং ২৭ জন যুগ্ম সচিব (তারা সবাই মুক্তিযোদ্ধা) মোট ৩৯ জন পদোন্নতি বঞ্চিত হন। এরপর ২০০২ সালের ওই বিধিমালা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৩ সালে রিট আবেদন করেন পদোন্নতি বঞ্চিত যুগ্ম সচিব মো. সাইফুজ্জামান, মো. আমিরুল ইসলাম ও উপ-সচিব মো. খলিলুর রহমান। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত ২০১৩ সালের ১২ নভেম্বর রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এই রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে রায় দেন হাইকোর্ট।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

© স্বত্ত্বঃ নাটোর টাইমস: ২০১৭-২০২৪ --- “নাটোর টাইমস” এ প্রকাশিত/প্রচারিত যেকোন সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও বা ভিডিওচিত্র বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং নিষিদ্ধ।

Site Customized By NewsTech.Com