1. zunaid365@gmail.com : Natore Times :
সংবাদ শিরোনাম :
সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে তারেক রহমানকে দেশে আনতে হবে: দুলু সিংড়ায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বৃক্ষ রোপন ও বিতরন তরুণদের স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ গড়তে বিদেশী বন্ধুদের সহযোগিতা চান ড. ইউনূস জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে আরো সম্পৃক্ততাকে স্বাগত জানিয়েছেন: হোয়াইট হাউস ‘দেশে বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা হলেই আমার সন্তানের আত্মদান সার্থক হবে’- শহিদ মানিকের বাবা লা লিগা: দারুণভাবে ফিরে এসেও মাদ্রিদের সাথে পেরে উঠেনি আলাভেস দশ বছরের জয়খরা কাটিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলার স্বপ্ন বাংলাদেশের ফের নিষ্ক্রিয় জিমেইল অ্যাকাউন্ট বন্ধের সিদ্ধান্ত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাড়ছে সেশনজটের শঙ্কা শত শত অবৈধ ব্লাড ব্যাংকে চলছে মেয়াদোত্তীর্ণ রক্ত বিক্রি

বিস্ফোরক আমদানিতে চালু হচ্ছে ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২০ আগস্ট, ২০২১

বিস্ফোরক আমদানিতে চালু হচ্ছে ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’। বিস্ফোরক পরিদফতর আমদানিকারকদের এই সেবা দেবে। বর্তমানে বিস্ফোরক আমদানি করতে হলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, বিস্ফোরক পরিদফতরসহ অনেকগুলো সংস্থার অনুমোদন নিতে হয়।

ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু হলে এই ভোগান্তি থেকে আমদানিকারকরা যেমন রক্ষা পাবেন, তেমনই কেন্দ্রীয়ভাবে আমদানি করাতে দেশে কী পরিমাণ বিস্ফোরক আমদানি হচ্ছে, তার সঠিক হিসাব করাও সহজ হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিস্ফোরক পরিদফতরের এক কর্মকতা নাম প্রকাশ না করে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, মন্ত্রিসভা এ বিষয়ে একটি কারিগরি কমিটি গঠন করেছিল। ওই কমিটিকে ওয়ান স্টপ সার্ভিসের একটি রূপরেখা প্রণয়নের নির্দেশ দেয়। পরে কারিগরি কমিটি বিস্ফোরক জাতীয় সব দ্রব্যের আমদানি একই প্রতিষ্ঠানের আওতায় আনার সুপারিশ করে। ইতোমধ্যে সুপারিশটি মন্ত্রিসভা কমিটিতে উত্থাপনের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রিসভা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিলে ওয়ান স্টপ সার্ভিসটি চালু করা হবে।

তিনি জানান, এরইমধ্যে বিস্ফোরক পরিদফতর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নাম নিবন্ধনের জন্য অনলাইনে রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা করেছে।

বিস্ফোরক পরিদফতর সূত্র জানায়, দেশে শিল্প কল কারখানা, তেল গ্যাস অনুসন্ধান, পাথরখনি এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য বিস্ফোরক আমদানি করা হয়। তবে এছাড়াও বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বিস্ফোরক আমদানি করে দেশের মধ্যে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে। এজন্য সরকার এ বিষয়ে আরও কঠোর হওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। কেন্দ্রীয়ভাবে বিস্ফোরক আমদানির তথ্য সংরক্ষিত থাকলে এসব বিস্ফোরক নিয়মিত নজরদারিতে রাখা সম্ভব। চাইলেই আমদানিকারকের তথ্য যাচাই করা যাবে।

বিস্ফোরক আমদানি ও ব্যবহারের জন্য কয়েকবার সংশোধনের পর ‘বিস্ফোরক বিধিমালা ২০০৫’ প্রণয়ন করা হয়েছে। এই বিধিমালা থাকার কারেণ বিস্ফোরক আমদানির ক্ষেত্রে আরও প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

© স্বত্ত্বঃ নাটোর টাইমস: ২০১৭-২০২৪ --- “নাটোর টাইমস” এ প্রকাশিত/প্রচারিত যেকোন সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও বা ভিডিওচিত্র বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং নিষিদ্ধ।

Site Customized By NewsTech.Com