করোনার প্রভাব মোকাবিলায় শিগগিরই আসছে দ্বিতীয় প্রণোদনা প্যাকেজ। এতে থাকবে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) জন্য আরও একটি নতুন তহবিল। তবে এবার এসএমইর সঙ্গে যুক্ত করা হবে অতি ক্ষুদ্র
২৬৯ দিন পর ৭ শতাংশের নিচে নামল করোনার সংক্রমণ হার। গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ হাজার ৪৬২টি নমুনা পরীক্ষায় ৯৯১ জনের দেহে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৬ দশমিক ৮৫ শতাংশ।
করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আমদানি ও এ সংক্রান্ত সরঞ্জাম কিনতে আরও ৫ হাজার ৬৫৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাবে সায় দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে করোনাভাইরাসের টিকা আমদানিতে ৪ হাজার ২৩৬ কোটি এবং করোনাভাইরাস
বিনামূল্যে করোনাভাইরাসের টিকা বিতরণের নীতিমালা প্রায় চূড়ান্ত হয়েছে। এ সংক্রান্ত নীতিমালার সারসংক্ষেপ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব আবদুল মান্নানের দপ্তরে রয়েছে। খুব দ্রম্নতই নীতিমালাটি মন্ত্রীর অনুমোদন পাবে।
করোনাভাইরাসের টিকাদান শুরু হলে তার ১৫ দিনের মধ্যেই ভারত রপ্তানি শুরু করবে বলে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তার বক্তব্যকে উল্লেখ করে এই খবর প্রকাশ করেছে বিবিসি।
বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা ব্যবহারের তালিকায় প্রতিদিনই যুক্ত হচ্ছে একের পর এক দেশের নাম। অধীর অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশের মানুষও। এরই মধ্যে প্রস্তুতি চলছে দেশের সব মানুষকে টিকাদান কার্যক্রমের আওতায় আনার।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত করোনাভাইরাস টিকার অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাজ্য। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে আগামীকাল রবিবার বাংলাদেশ সরকার ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউট থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কেনার জন্য ছয়’শ কোটি টাকার বেশি টাকা
কোভিড-১৯ সম্পৃক্ত অতি জরুরি ও প্রয়োজনীয় দশটি পরীক্ষার মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার এসব পরীক্ষায় অনেক বেশি ফি আদায় করছিল। এ পরিস্থিতিতে সাধারণ
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, চলতি মাসে দেশে করোনাভাইরাসের টিকার (ভ্যাকসিন) প্রথম চালান এসে পৌঁছবে। তিনি বলেন, ৫০ লাখ করে আগামী ছয় মাসে তিন কোটি টিকা আমরা পাব।
আগামী বছর জানুয়ারির শেষ দিকে অথবা ফেব্রুয়ারির শুরুতেই অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি টিকা পাওয়ার সম্ভাব্য সময় ধরে এগোচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এজন্য ১০ জানুয়ারির মধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। টিকা