করোনাভাইরাসের চলমান টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের প্রায় ১৪ কোটি মানুষকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। গতকাল শনিবার পর্যন্ত প্রায় ২১ লাখ বা এক শতাংশ মানুষকে টিকার আওতায় আনা
দেশে করোনায় আক্রান্ত আরো পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুর এই তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একই সময়ে নতুন শনাক্ত হয়েছে ৩৫০ জন এবং সুস্থ
করোনার চলমান টিকাদান কর্মসূচিতে বড় পরিবর্তন এনেছে সরকার। ৩৫ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে কর্মসূচি শুরু হলেও এখন সরকারের হাতে থাকা ৭০ লাখ টিকার পুরোটায় দিয়ে দেওয়া হবে। অর্থাৎ
করোনা প্রতিরোধে পৃথিবীর অনেক দেশেই টিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। খুব অল্প দেশই মোট জনসংখ্যার এক শতাংশের টিকা দেওয়ার কাজ সম্পন্ন করেছে। ইতোমধ্যে ১৫টির বেশি দেশ মোট জনসংখ্যার এক শতাংশের বেশি
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক, বলেছেন, সুরক্ষা অ্যাপ উদ্বোধনের ফলে চলমান ভ্যাকসিন কার্যক্রম আরও একধাপ এগিয়ে গেলো। ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রমে দেশের সুনাম এখন সর্বত্র। দেশে বর্তমানে ১ হাজার
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, পৃথিবীর ২০০ দেশের মধ্যে ৬ নম্বর দেশ হিসাবে গণহারে ভ্যাকসিন দিচ্ছে বাংলাদেশ। শনিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে মানিকগঞ্জ পৌরসভা মিলনায়তনে পৌরসভার উন্নয়নকল্পে ভবিষ্যৎ কর্ম-পরিকল্পনা বিষয়ে
দেশব্যাপী চলমান করোনা টিকাদান কার্যক্রমে টিকাগ্রহীতার সংখ্যা ৯ লাখ ছাড়িয়েছে। তাদের মধ্যে পুরুষ ৬ লাখ ২৬ হাজার ৪৬৯ ও ২ লাখ ৭৯ হাজার ৫৬৪ জন নারী। এছাড়া গত ২৭ জানুয়ারি
টিকা নিতে দীর্ঘ হচ্ছে আগ্রহীদের তালিকা। বয়সসীমা কমিয়ে আনার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে নিবন্ধন ও টিকাগ্রহীতার সংখ্যা। গতকাল পর্যন্ত নিবন্ধন করেছেন প্রায় ১০ লাখ মানুষ। গত ২৪ ঘণ্টায় নিবন্ধন করেছেন ২
সারাদেশে করোনাভাইরাসের টিকাদান শুরু হওয়ায় যে কোনো সময় স্কুলগুলো খুলে দেওয়া হতে পারে। আর সেজন্য শিক্ষক-কর্মকর্তাদের টিকা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার সকালে সচিবালয় ক্লিনিকে টিকা নেওয়ার পর
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দেশব্যাপী শুরু হয়েছে গণ টিকাদান কর্মসূচি। ভিআইপি, সম্মুখসারির কর্মীদের পাশাপাশি টিকা নিচ্ছেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। বাড়ছে নিবন্ধনকারীর সংখ্যা। ৪০ বছরের বেশি বয়সী ও টিকাগ্রহীতা ব্যক্তির পরিবারের টিকাদান