করোনার টিকা পেতে দক্ষিণ এশিয়ার ৬টি দেশ নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে চীনের উদ্যোগে নতুন প্ল্যাটফর্মে যোগ দিচ্ছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে ‘ইমার্জেন্সি ভ্যাকসিন স্টোরেজ ফ্যাসিলিটি ফর কোভিড ফর সাউথ এশিয়া’
অগ্রিম টাকা নেয়ার পরও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশে সেরামের টিকা রফতানি বন্ধ করার পর বিকল্প হিসেবে চীন ও রাশিয়া থেকে করোনাভাইরাসের টিকা আনার নীতিগত সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছিল সরকার। এরপর
করোনাকালে অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশে অক্সিজেন উৎপাদিত হলেও কখনও কখনও আমদানির ওপরও নির্ভর করতে হয়। সাম্প্রতিককালে বেশিরভাগ চাহিদা পূরণ হয়েছে দেশজ উৎপাদনের মাধ্যমে। কিন্তু করোনার আগাম
করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে ঘরের বাইরে মাস্ক ব্যবহার না করলে ‘কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে বলে আবারও হুঁশিয়ার করেছে সরকার। প্রয়োজনে প্রত্যেককে দুটো মাস্ক ব্যবহার করারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে সরকারের এক
করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ে লকডাউনের কারণে কর্মহীন মানুষের মানবিক সহায়তায় সরকার এ পর্যন্ত ৫৭৪ কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ দিয়েছে। এতে প্রায় সোয়া এক কোটি পরিবার উপকৃত হবে। নিজের প্রয়োজনে যারা
শনিবার থেকে ঢাকায় ১৫টি এবং চট্টগ্রামে ১টি বুথ নিয়ে সর্বমোট ১৬টি বুথের মাধ্যমে এই কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। ব্র্যাক ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বুথের (কিওস্ক) মাধ্যমে
সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী মে মাসের প্রথম সপ্তাহে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় ব্যবহৃত প্রায় ২১ লাখ ডোজ টিকা দেশে আসবে। এই টিকার একটি অংশ আনা হবে ভারতীয় টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সেরাম
করোনাভাইরাস মহামারি আগামী অর্থবছরের বাজেটের হিসাব-নিকাশের অনেক কিছুতেই ‘প্রথম’ যোগ করছে। অর্থাৎ প্রথমবারের মতো সরকার অনেক কিছুতে উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা থেকে সরে আসছে। বাস্তবতা মাথায় রেখে আগামী অর্থবছরের বাজেটে জাতীয় রাজস্ব
দেশে এ পর্যন্ত সাড়ে ২১ লাখের বেশি মানুষ করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করেছেন। টিকার এই ডোজ গ্রহণকারীর সংখ্যা ২১ লাখ ৫৫ হাজার ২৯৬। এর মধ্যে পুরুষ ১৪ লাখ ১৮
দেশে নানামুখী তর্কবিতর্ক ও সংকটের মধ্যেও দিনে দিনে টিকার প্রতি আস্থা বাড়ছে বেশির ভাগ মানুষের। বিশ্বের বহু দেশ যখন করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের আঘাতে চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল, তখন যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র,