কর্মসংস্থান সৃষ্টি, করোনার প্রভাব থেকে অর্থনীতির পুনরুদ্ধার ও ভবিষ্যতে এ ধরনের সংকট মোকাবিলার দক্ষতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংক ২৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের
দেশের বাজারে আসছে দেশীয় ব্র্যান্ডের গাড়ি ‘বাংলা কার’। সব কিছু ঠিক থাকলে ঈদের পরই আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। তবে গাড়ি বিক্রি কার্যক্রম শুরু হলেও আনুষ্ঠানিক যাত্রা এখনো শুরু হয়নি। ২৬
বিলুপ্তপ্রায় টেংরা, গুলশা, পাবদা ও বৈরালীসহ ২৪টি দেশীয় প্রজাতির মাছের কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে পোনা উৎপাদনের পর এবার ঢেলা মাছের পোনা উৎপাদনেও সফল হয়েছেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) গবেষকরা। চলমান
করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যেও রেমিট্যান্স পাঠানো অব্যাহত রেখেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ১৫ দিনে রেমিট্যান্স যোদ্ধারা দেশে পাঠিয়েছেন ১১৫ কোটি ৩২ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। গত বছর (২০২০
বাংলাদেশে করোনাভাইরারে দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হেনেছে। এর মধ্যেই রপ্তানি বৃদ্ধি, শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং দেশে চলমান টিকাদান কর্মসূচির হাত ধরে বাংলাদেশের অর্থনীতি উন্নতির সম্ভাবনা দেখছে বিশ্বব্যাংক। বিশ্বব্যাংক বলছে, করোনাভাইরাস মহামারিতে
গাজীপুরে পোশাক কারখানায় করোনা সংক্রমণ মোকাবিলায় নেওয়া হয়েছে ‘পার্টিশন’ ব্যবস্থা। এতে ভেতরের কর্ম পরিবেশ আগের চেয়ে অনেকটাই নিরাপদ বলে মনে করছেন শ্রমিকরা। আর কর্তৃপক্ষ বলছেন, কোভিড পরিস্থিতিতে জীবন ও দেশর
করোনা প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) ও চিকিৎসাসামগ্রী উৎপাদনে বিনিয়োগ সহায়তা মিলছে। এ জন্য একটি প্রকল্প দাঁড় করিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, যাতে অর্থায়ন করছে বিশ্বব্যাংক। প্রকল্পটির নাম ‘এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভনেস ফর জব
ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা ও চট্টগ্রাম বন্দরের নিয়ন্ত্রণসহ আর্থিক বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে পতেঙ্গা সমুদ্র মোহনায় বাস্তবায়নাধীন সরকারের অন্যতম মেগা প্রকল্প বে-টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের
করোনাভাইরাসের কারণে অর্থনীতির চাকা অনেকটাই মন্থর। এই চাকা সচল রাখতে সরকার আর্থিক প্রণোদনাসহ নীতি সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। এরপরও সব হিসাবনিকাশ ওলটপালট হয়ে গেছে। স্থবির হয়ে পড়েছে ব্যবসা-বাণিজ্য। নতুন বিনিয়োগ তেমন
করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কবল থেকে অর্থনীতি সচল রাখতে সরকারের প্রণোদনা প্যাকেজ ঢেলে সাজানো হচ্ছে। চলমান করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে রফতানি বৃদ্ধি এবং রেমিটেন্স আহরণে। এ লক্ষ্যে শিল্পকারখানা