1. zunaid365@gmail.com : Natore Times :
সংবাদ শিরোনাম :
সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে তারেক রহমানকে দেশে আনতে হবে: দুলু সিংড়ায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বৃক্ষ রোপন ও বিতরন তরুণদের স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ গড়তে বিদেশী বন্ধুদের সহযোগিতা চান ড. ইউনূস জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে আরো সম্পৃক্ততাকে স্বাগত জানিয়েছেন: হোয়াইট হাউস ‘দেশে বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা হলেই আমার সন্তানের আত্মদান সার্থক হবে’- শহিদ মানিকের বাবা লা লিগা: দারুণভাবে ফিরে এসেও মাদ্রিদের সাথে পেরে উঠেনি আলাভেস দশ বছরের জয়খরা কাটিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলার স্বপ্ন বাংলাদেশের ফের নিষ্ক্রিয় জিমেইল অ্যাকাউন্ট বন্ধের সিদ্ধান্ত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাড়ছে সেশনজটের শঙ্কা শত শত অবৈধ ব্লাড ব্যাংকে চলছে মেয়াদোত্তীর্ণ রক্ত বিক্রি

১৭৪২টি ওয়াটার পয়েন্ট হচ্ছে খুলনার উপকূলে

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৮ আগস্ট, ২০২১

লবণাক্ততার প্রভাবে খুলনার উপকূলীয় এলাকায় সুপেয় পানির সংকট দীর্ঘদিনের। কয়রা-দাকোপসহ প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে পানির তেমন কোনো উৎস নেই। এতে খাবার পানির সংকটে রয়েছে কয়েক লাখ মানুষ। তবে এবার খুলনার ৬৭টি ইউনিয়নে ১৭৪২টি ওয়াটার পয়েন্ট ও নয়টি উপজেলায় ১৬২টি রিজার্ভার তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর। এ ছাড়া কয়রা পাইকগাছা ও দাকোপে ‘রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং’ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। খুলনা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আকমল হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।

জানা যায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে গ্রামাঞ্চলের মানুষের জন্য নিরাপদ সুপেয় পানি সরবরাহের লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতি ৫০ পরিবারের জন্য একটি পানির উৎস স্থাপন, ভূ-উপরিভাগের পানি যথাযথ ব্যবহার ও সংরক্ষণে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এর আওতায় ৬৭টি ইউনিয়নে প্রতিটিতে ২৬টি করে ওয়াটার পয়েন্ট ও প্রতিটি উপজেলায় ১৮টি করে ওয়াটার রিজার্ভার স্থাপন করা হবে। সংস্থার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আকমল হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে সার্ভে কাজ শুরু হয়েছে। ওয়াটার পয়েন্টে গভীর-অগভীর নলকূপ বা রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিংয়ের মাধ্যমে পানি সরবরাহ করা হবে। কয়রা, পাইকগাছা, দাকোপে গভীর-অগভীর নলকূপেও পানি ওঠে না। সেখানে রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং প্রকল্প নেওয়া হবে। উপজেলা পর্যায়ের ১৮টি ওয়াটার রিজার্ভারে থাকবে সাবমারসিবল পাম্প ও ওভারহেড ট্যাংকি। যেখানে ট্যাপের মাধ্যমে মহল্লাভিত্তিক মানুষ পানি সংগ্রহ করবে।

কর্মকর্তারা জানান, উপকূলে লবণাক্ততার জন্য উপজেলা পর্যায়ে সাবমারসিবল পাম্প বসানোর আগে সার্ভে করা হবে। সেখানে প্রাপ্ত পানি পানের উপযোগী হলেই ট্যাংকি স্থাপন করা হবে। অথবা পানি পরীক্ষা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে খুলনার পানি সংকট অনেকাংশে কমে যাবে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

© স্বত্ত্বঃ নাটোর টাইমস: ২০১৭-২০২৪ --- “নাটোর টাইমস” এ প্রকাশিত/প্রচারিত যেকোন সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও বা ভিডিওচিত্র বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং নিষিদ্ধ।

Site Customized By NewsTech.Com