1. zunaid365@gmail.com : Natore Times :
সংবাদ শিরোনাম :
সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে তারেক রহমানকে দেশে আনতে হবে: দুলু সিংড়ায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বৃক্ষ রোপন ও বিতরন তরুণদের স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ গড়তে বিদেশী বন্ধুদের সহযোগিতা চান ড. ইউনূস জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে আরো সম্পৃক্ততাকে স্বাগত জানিয়েছেন: হোয়াইট হাউস ‘দেশে বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা হলেই আমার সন্তানের আত্মদান সার্থক হবে’- শহিদ মানিকের বাবা লা লিগা: দারুণভাবে ফিরে এসেও মাদ্রিদের সাথে পেরে উঠেনি আলাভেস দশ বছরের জয়খরা কাটিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলার স্বপ্ন বাংলাদেশের ফের নিষ্ক্রিয় জিমেইল অ্যাকাউন্ট বন্ধের সিদ্ধান্ত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাড়ছে সেশনজটের শঙ্কা শত শত অবৈধ ব্লাড ব্যাংকে চলছে মেয়াদোত্তীর্ণ রক্ত বিক্রি

সোনালি আঁশে নতুন দিশা

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৬ আগস্ট, ২০২১

ফিরেছে সোনালি আঁশের সুদিন। এই সোনালি আঁশেই নতুন দিশা দেখছেন কৃষক। দিগন্ত বিস্তৃত মাঠে পাটের বাম্পার ফল এবং ন্যায্যমূল্যে কৃষকের মুখে ফুটে উঠেছে হাসির ঝিলিক। পাটচাষে এবার কৃষক হাসে। মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার আট ইউনিয়নের কৃষকরা চলতি মৌসুমে ১০ হাজার ৮শ’ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করেছেন। মনে রঙিন স্বপ্ন নিয়ে মাঠে মাঠে শ্রম দিয়েছেন তারা। কৃষকের ঘামঝরা পরিশ্রম এবং অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এবার পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। পাট কাটা জাগ (পচানো) দেওয়া, আঁশ ছাড়ানো, ধোয়া এবং রোদে শুকানো নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।

কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি মৌসুমে উপজেলার আট ইউনিয়নে ১০ হাজার ৮শ’ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে। অধিকাংশ কৃষকই ভারতীয় পাট আবাদ করেছেন। কিছু সংখ্যক কৃষক দেশীয় রবি-০১ জাতের পাট চাষ করেছেন। ইতোমধ্যে ৯০ ভাগ পাট কাটা হয়েছে। এ বছর প্রতি একরে গড় ফলন হয়েছে ১৮ থেকে ২৪ মণ। প্রতিমণ পাট উৎপাদনে খরচ হয়েছে এক হাজার একশ’ থেকে দেড় হাজার টাকা। এরই মধ্যে বাজারে নতুন পাট উঠতে শুরু করেছে। মানভেদে পাটের বর্তমান বাজার মূল্য প্রতিমণ ৩ হাজার দুইশ’ থেকে তিন হাজার পাঁচশ’ টাকা পর্যন্ত।

উপজেলার রাজাপুর গ্রামের পাটচাষি ইকরামুল হোসেন বলেন, ‘আমি দেড় একর জমিতে পাট চাষ করেছি। এবার ফলন ভালো। বর্তমান বাজার মূল্যও আশানুরূপ। দরপতন না হলে কৃষক লাভবান হবেন এবং পাট চাষে কৃষকের আগ্রহ বাড়বে।’

উপজেলা সদরের জাঙ্গালীয়া গ্রামের হারেজ শেখ বলেন, ‘এইবারডা পাট বালো অইচে। বালো দরও দেচ্চে, আমি খুশি।’

উপজেলা সদরের পাট ব্যবসায়ী মহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বাজারে নতুন পাট মানভেদে প্রতিমণ ৩ হাজার দুইশ’ থেকে তিন হাজার পাঁচশ’ টাকা দরে ক্রয় করছি আমরা।’

উপজেলা কৃষি অফিসার আবদুস সোবাহান বলেন, ‘চলতি মৌসুমে পাটের আশানুরূপ ফলন হয়েছে। দামও ভালো। দরপতন না হলে কৃষক লাভবান হবেন।’

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

© স্বত্ত্বঃ নাটোর টাইমস: ২০১৭-২০২৪ --- “নাটোর টাইমস” এ প্রকাশিত/প্রচারিত যেকোন সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও বা ভিডিওচিত্র বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং নিষিদ্ধ।

Site Customized By NewsTech.Com