
নাটোরের সিংড়া উপজেলার সুকাশ ইউনিয়নের বামিহাল গ্রামে আওয়ামী লীগের দুই নেতাকর্মী নিহতের ঘটনায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। প্রায় দুই দশক ধরে বিবাদমান দুই পক্ষের বিরোধের আগুনে ঘি পড়েছে আরো দুইজন নিহতের ঘটনায়। রোববার রাতের সংঘর্ষের পর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফতাব হোসেন ও সোমবার ভোরে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য রুহুল আমিন মারা যান। এ নিয়ে আতঙ্কিত এলাকার মানুষ। যে কোনো সময় দুটি পক্ষ আবার সংঘাতে জড়াতে পারে এমন আশঙ্কা তাদের।
সোমবার সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রুহুল আমিনের মৃত্যুর খবর বামিহাল এলাকায় পৌছালে স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দুপুরের দিকে বামিহাল, দোসোপাড়াসহ আশেপাশের এলাকায় মানুষজন কমতে থাকে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বামিহাল বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘দুই পক্ষের দুজন মারা গেছে শুনেছি। হয়তো জানাজা দাফন পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্ত থাকবে। এরপর কি হতে পারে আমরা জানি না। তবে ভয়ে আছি। কেননা দুটি পক্ষই এলাকায় ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতির সাথে যুক্ত ও প্রভাবশালী।’
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন বলেন, স্থানীয় ইউপি সদস্য ফরিদুল ও আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক আফতাবের মধ্যে বিরোধ অনেক পুরোনো। দুই দশক ধরে দুইজনের পারিবারিক পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ এই হত্যাকান্ড।
এদিকে, সোমবার দুপুরে বামিহাল ও দাসোপাড়া এলাকা পরিদর্শন করেছেন নাটোরের পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান। এসময় তার সাথে ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরীফ আল রাজীব ও সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান। পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর ওই এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।
© স্বত্ত্বঃ নাটোর টাইমস: ২০১৭-২০২৪ --- “নাটোর টাইমস” এ প্রকাশিত/প্রচারিত যেকোন সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও বা ভিডিওচিত্র বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং নিষিদ্ধ।
Leave a Reply